পেকুয়া প্রতিনিধি- কক্সবাজারের পেকুয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধী পক্ষের জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের সবজীবন পাড়া গ্রামের মৃত্যু হাফেজ আহমেদের স্ত্রী লায়লা বেগমের জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।
পেকুয়া থানার থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আপ্যায়ন বড়ুয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিরোধপূর্ণ জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
লায়লা বেগম জানান,উপজেলার বারবাকিয়া সবজীবন পাড়ায় আমার স্বামীর ভাই মোস্তাক আহমেদ থেকে ১০শতক ছৈহিদুল ইসলাম আজমীর থেকে ২শতক জমি কেনে।সম্প্রতি ওই জমির সীমানা নির্ধারণ না করে মৃত্যু ছৈয়দ নুরের পুত্র মোহাম্মদ হাছান,মোহাম্মদ হোছন,মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে চলাচলের রাস্তাসহ প্রায় সাড়ে ১৬শতক জমির সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এসময় লায়লা বেগমের সাড়ে ১৬শতক জমি ছেড়ে দিয়ে অন্য জমির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে বলে। কিন্তু প্রতিপক্ষ এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লায়লা বেগম (৫ফেব্রুয়ারী) বুধবার আদালতে মামলা করে। আদালত পেকুয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে বিরোধপূর্ণ জমিতে উভয় পক্ষকে শান্তি শৃঙ্খলা বজার রাখার জন ১৪৪ ধারা জারি করে। তারা আদালতের আইন অমান্য করে জোর পূর্বক কাজ চলমান রাখেন। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনী পদক্ষেপ এবং তদন্ত পূর্বক পর্যাপ্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
শনিবার সকালে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মোহাম্মদ হাছান, মোহাম্মদ হোছন,মোস্তফা কামালের লোকজন বিরোধপূর্ণ জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে যায়।
সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়ে মোহাম্মদ হাছান বলেন,আমাদের জায়গায় আমরা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছি। কারও জায়গা আমরা দখল করিনি।
পেকুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা জানান, সীমানা প্রাচীর নির্মানের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেউ আইন ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।