পেকুয়া প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পুর্বশত্রুতার জের ধরে যুবদল নেতার বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হামলায় পেকুয়া উপজেলা যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন তার বোন স্বাস্থ্য সহকারী নাছিমা বেগম, মা লুতফুর নেছা, ও তাদের পরিবারের ৪ শিশু তাহামিদুল ইসলাম, সাইমা,সামিরা ও সামিহা আহত হন।
গত শুক্রবার রাজাখালী দশের ঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। পরে অবস্থার অবনতি হলে নাছির উদ্দীনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়। হামলায় নাছির উদ্দীনের বোন নাছিমা আক্তারের তিনটি দাঁত পড়ে যায়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী নাছির উদ্দীনের পরিবার।
এসময় লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই এলাকার জয়নাল আবেদিন তার পুত্র এনামুল হকসহ তাদের অপরাপর পরিবারের সদস্যরা মিলে নাছির উদ্দিনের পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা চালান। তারা দ্রুত এই হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আহত যুবদল নেতা নাছির উদ্দীন, ভাই বোরহানুল ইসলাম ও বোন নাছিমা বেগম।
বক্তব্যে নাছির উদ্দীন বলেন, আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আওয়ামিলীগ ও ছাত্রলীগের ক্ষমতা দেখিয়ে বারবার নির্যাতন করে। একাধিকবার হত্যার চেষ্টা করে। যার কারণে আমি বউ বাচ্চা নিয়ে বাড়িতে থাকতে না পেরে দোকানের পিছনে বসবাস করে আসছি। ঘটনার দিন আমার ছোট ছোট বাচ্চারা পানিতে পড়ে যাওয়ার কারণে আমাদের সীমানায় পুকুরে ঘেরাও দেওয়ার চেষ্টা করলে মোজাহের আহম্মদের ছেলে জয়নাল আবেদীন তার ছেলে এনামুল হক, ওমর ফারুক,আন জীবন আরা, ইলিয়াস সহ ভাড়াটিয়া ১৫-২০ জন মিলে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা চালিয়ে আমার বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার পায়তারা করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে আমি প্রাণে রক্ষা পায়।
ভাই বোরহানুল ইসলাম বলেন, আমরা সাধারণ পরিবারের সন্তান। এলাকায় শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে বসবাস করে আসছি কিন্তু জয়নাল, এনামুল হক, ওমর ফারুক, ইলিয়াস মিলে আমার ভাইকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় বারবার হত্যাচেষ্টা করে। ঘটনার দিনও আমার ভাই নাছির উদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করে। সেই সাথে আমার বোন ও মাকে তারা মারধর করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। আমি এই বর্বর নির্যাতনের বিচার চাই।