নিজস্ব প্রতিনিধি, পেকুয়া!
কক্সবাজারের পেকুয়ায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হেলাল কতৃক এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের রুজু করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পেকুয়া থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী আছমা বেগম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ ফেব্রুয়ারী
ভুক্তভোগী আছমা বেগম তার শিশু বাচ্চার শরীরে এলার্জি হলে চিকিৎসার জন্য পেকুয়া চৌমুহনীস্থ হোমিও চিকিৎসক হেলাল উদ্দীনের কাছে গেলে হেলাল তাঁর শিশু বাচ্চা দেখার পর ভুক্তভোগী আছমার সমস্যা আছে বলে তাকে চিকিৎসা করতে চান। এক পর্যায়ে ভিকটিমকে ভিতরের রুমে গিয়ে সিটে শুয়ে যেতে বলেন। ভিকটিমের কোমরে ব্যথার কথা বলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়ার অনৈতিক চেষ্টা চালায়। ঘটনার এক পর্যায়ে ভিকটিমকে ধর্ষণ চেষ্টা ও শ্লীলতাহানি করে চিকিৎসক হেলাল। ভুক্তভোগী আছমা চিৎকার চেচামেচি করলে চিকিৎসক হেলাল বাইরে চলে আসে এবংস্থানীয় লোকজন জড়ো হয়। স্থানীয়রা চিকিৎসক হেলালকে তার অপকর্মের জন্য ক্ষমা চাইতে বল্লে হেলাল তৎক্ষনাৎ ভুক্তভোগী নারীর কাছে ক্ষমা চাইলেও পরে তাকে দেখে নেওয়া এবং মামলা না করার জন্য হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
ভুক্তভোগীর স্বামী সোহেল বলেন, আমার স্ত্রী আমার সন্তানের এলার্জির জন্য চিকিৎসা করাতে পেকুয়া চৌমুহনী আল মক্কা হোমিও চিকিৎসক হেলালের কাছে গেলে সে আমার স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে শরীরের স্পষ্টকাতর স্থানে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে। আমি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে ওই চিকিৎসক নামের লম্পটকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।
পেকুয়া হোমিও চিকিৎসক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ডাক্তার আশেক উল্লাহ বলেন, হোমিও চিকিৎসক সমিতির সদস্য হেলাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে একজন নারীকে ধর্ষণ চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে । আমরা তদন্ত করে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিব।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সিরাজুল মোস্তাফা বলেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের কাছে সেবা নিতে আসা এক নারীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি।