• বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মন্দিরের গাছের আম পাড়তে বাঁধা দেয়ায় ঘরে ঢুকে পেটালো বখাটেরা মান্দায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, থানায় অভিযোগ’ এসিল্যান্ডের ড্রাইভারসহ গ্রেপ্তার ৪ পেকুয়ায় জামায়াতের শিক্ষা বৈঠকে রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যের আহবান তানোরে প্রতিবন্ধীদের সাথে ইফতার ও ঈদ উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বতরণ মগনামা ৩ ও ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল চকরিয়ায় পুলিশের উপর হামলাসহ একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি লালু ও আহমদ ডাকাতসহ গ্রেপ্তার ৩ টেকনাফে অটোরিকশা থামিয়ে অপহরণ চেষ্টা, আটক ৩ পেকুয়ায় দিনমজুরকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি, গাজী মনির সভাপতি করিম সম্পাদক চকরিয়া ব্লাড ডোনার’স সোসাইটির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন

বাংলাদেশ সীমান্তে দাঁড়িয়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব অমিত শাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ / ১৬১ Time View
Update : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দাঁড়িয়ে ফের অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দু’দিনের সংক্ষিপ্ত পশ্চিমবঙ্গ সফরে শনিবার (২৬ অক্টেবার) রাতে কলকাতায় আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রোববার ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট, যাত্রী টার্মিনাল ট্রু ও মৈত্রী দ্বার উদ্বোধন করেন শাহ। ওই অনুষ্ঠানেই রাজ্যের সীমান্ত অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব হন তিনি। বলেন, ২০২৬ সালে বাংলায় পরিবর্তন আনুন। অনুপ্রবেশ রুখবে বিজেপি।
২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আগামী ১৩ নভেম্বর রাজ্যের ৬ কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রোববার বাংলায় এসে ফের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ডাক দিলেন অমিত শাহ। প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ দাবি করেন, ভালো দিন আর বেশি দূরে নেই। ২০২৬ থেকেই শুরু হয়ে যাবে ভালো দিন। সেই সঙ্গে তার বার্তা, কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না বাংলার মানুষ। কিন্তু আক্ষেপ করবেন না। ২০২৬ সালের ভোটে বিজেপি সরকার আসবে।
অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ৫-৬ হাজার লোক এখানে আসেন চিকিৎসা করাতে। কল্যাণী এই মসে আসেন তারা। এতে অর্থনীতির উপকার হয়। কিন্তু অবৈধ আসা-যাওয়া হলে বাংলার শান্তি বিঘ্নিত হয়। ২৬ সালে পরিবর্তন করুন। এই অনুপ্রবেশ আটকে দেব। বাংলায় শান্তি ফিরবে অনুপ্রবেশ বন্ধ হলেই। বাংলায় অশান্তির মূলে রয়েছে এই অনুপ্রবেশ। অনুপ্রবেশ বন্ধ হলে বাংলায় শান্তি ফিরবে। আর সেটা করতে পারে একমাত্র বিজেপিই।
এদিন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগেরও জবাব দেন শাহ। বাংলার উন্নয়নে বদ্ধপরিকর নরেন্দ্র মোদি বলে দাবি করে পরিসংখ্যান তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ইউপিএ-র জমানার সঙ্গে মোদির ১০ বছরে বাংলার জন্য বরাদ্দের হিসাব দেন। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, ইউপিএ সরকারে মন্ত্রিত্বে ছিল তৃণমূল সরকার।
শাহ দাবি করেন, ইউপিএ জমানার থেকে মোদি সরকার বাংলাকে বেশি টাকা দিয়েছে। তিনি বলেন, ইউপিএ আমলের ১০ বছরে কেন্দ্র বাংলাকে দিয়েছিল ২ লাখ ৯ হাজার কোটি। কিন্তু ২০১৪ থেকে ২০২৪ এই ১০ বছরে মোদি সরকার বাংলাকে দিয়েছে ৭ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদি সরকারের দেয়া টাকা দুর্নীতিতেই চলে যায় বলে দাবি করেছেন অমিত শাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd