• শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তানোরে জমি দখলের চেষ্টা বাধা দেয়ায় মারপিট লবণের মাঠ দখল চেষ্টা পেকুয়ায় দু’দফা হামলায় আহত-৬ মন্দিরের গাছের আম পাড়তে বাঁধা দেয়ায় ঘরে ঢুকে পেটালো বখাটেরা মান্দায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, থানায় অভিযোগ’ এসিল্যান্ডের ড্রাইভারসহ গ্রেপ্তার ৪ পেকুয়ায় জামায়াতের শিক্ষা বৈঠকে রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যের আহবান তানোরে প্রতিবন্ধীদের সাথে ইফতার ও ঈদ উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বতরণ মগনামা ৩ ও ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল চকরিয়ায় পুলিশের উপর হামলাসহ একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি লালু ও আহমদ ডাকাতসহ গ্রেপ্তার ৩ টেকনাফে অটোরিকশা থামিয়ে অপহরণ চেষ্টা, আটক ৩ পেকুয়ায় দিনমজুরকে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন  

বেনজীরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

সাম্প্রতিক খবর ডেস্কঃ / ১৭২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪
পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদ

চট্টগ্রামের আলোচিত কোকেন মামলার বিবাদী, খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদের ছেলে মুহাম্মদ নিবরাস বাদী হয়ে ঢাকা র‌্যাব সদর দপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক, পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদ, সাবেক এডিজি মেজর জিয়াউল আহসান ও চট্টগ্রাম র‌্যাব–৭ এর সাবেক এএসপি মহিউদ্দিন ফারুকীর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালতে গতকাল বুধবার মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি প্রাথমিক অনুসন্ধানপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদকে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদের কাছে আসামিগণ বিভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করলে তা না দেওয়ায় তারা পরিকল্পিতভাবে বন্দর থানায় কোকেন মামলা রুজু করেন। মামলা নং ২২ (০৬) ২০১৫।

বেনজীর আহমদের নির্দেশে বন্দর থানার ওই মামলার বাদী ওসমান গণি নূর মোহাম্মদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। ঘটনার সাথে নূর মোহাম্মদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ বদরুল মামুন তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি প্রদানের সুপারিশ করে অপর ৮ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলাটি অধিকতর তদন্তে প্রেরণ করা হলে র‌্যাবের তৎকালীন মহাপরিচালক, পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমদের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার র‌্যাব–৭ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী মামলার তদন্তভার প্রাপ্ত হন। তৎকালীন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী তদন্তকালীন নূর মোহাম্মদের কাছে ৬ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, তার দাবি মোতাবেক চাঁদা পরিশোধ না করায় তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে তাকে বারবার রিমান্ডে এনে মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন ও ঘুষ দাবি করেন।

বাদীপক্ষে প্রধান আইনজীবী হিসেবে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরের সাবেক স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার। অন্যদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, এড. রহিমা আক্তার আকমল, এড. আবদুল করিম, এড. আব্দুল্লাহ আল নোমান, এড. এরফানুর রহমান, এড. মিজানুর রহমান মামুন, এড. আরাফাত সাত্তার, এড. আকবর আলী, এড. সুব্রত দত্ত, এড. রাজীব সেন চৌধুরী প্রমুখ।

আদালতের স্টেনোগ্রাফার দীপেন দাশগুপ্ত আজাদীকে জানান, মামলাটি দুদককে প্রাথমিক অনুসন্ধানপূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত নির্দেশ প্রদান করেছেন। – দৈনিক আজাদী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd