পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ পাওনা টাকা চাওয়ায় যুবলীগ নেতার রোষানলের শিকার হয়েছে খোরশেদ আলম নামের এক নিরীহ লোক। খোরশেদ শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। সে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার নাইখাইন গ্রামের মৃত মো. মুছার পুত্র।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক একই গ্রামের মো. ইউনুছের পুত্র সাইফুল হাসান টিটু খোরশেদের পাওনা টাকা আত্মসাৎ করতে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকিসহ থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ।
এ ব্যাপারে খোরশেদ পটিয়া সেনা ক্যাম্পে গতকাল (মঙ্গলবার) একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। সাইফুল হাসান টিটু গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও গুলি বর্ষনের ঘটনায় দায়েরকৃত পটিয়া থানার ২১ নং মামলার ৮১ নং আসামি।
জানা যায়, ২০২৩ সালের জুলাই মাস থেকে ৪ মাস যাবত টিটুকে তার ঠিকাদারী কাজের জন্য খোরশেদ আলম ইট, বালি সরবরাহ করে। ইট, বালি বাবদ খোরশেদ টিটু থেকে ৭৬ হাজার ৪’শ টাকা পাওনা হয়। খোরশেদ বিভিন্ন সময় টিটু থেকে পাওনা টাকা চেয়ে আদায় করতে ব্যর্থ হয়।
নিরুপায় হয়ে খোরশেদ বিগত ১০ সেপ্টেম্বর পটিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। এ অবস্থায় মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ও পাওনা টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে টিটু একটি মিথ্যা অভিযোগ লিখে তার এলাকার বিএনপি নেতা আবদুর রহিমের মাধ্যমে পটিয়া থানায় প্রেরন করে। পটিয়া থানার এস আই ওবাইদুল্লা নয়ন খোরশেদ থেকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে খোরশেদ টিটুর প্রতারণার বিষয়টি অবগত করেন।
পটিয়া থানার এস আই ওবাইদুল্লাহ নয়ন জানান, থানার ডিউটি অফিসার কর্তৃক ওসি সাহেবের নির্দেশ মতে টিটুর একটি অভিযোগ আমাকে হাওলা করলে আমি খোরশেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। এতে টিটু পটিয়া থানার একটি মামলায় এজাহারনামীয় আসামি বলে জানতে পারি।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম জানান, স্থানীয় কতিপয় বিএনপি’র নেতা রহিম উল্লার কু- প্ররোছনায় সাইফুল ইসলাম টিটু বর্তমানে বহালতবিয়তে থেকে এসব অপকর্ম করছে। খোরশেদ এ ব্যাপারে উর্ধতন পুলিশ প্রশাসন সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।